তেজপাতা

তেজঁপাতা এক ধরনের সুগন্ধি ভেষজ উদ্ভিদ।যার পাতা মসলা হিসাবে রান্নায় ব্যবহার করা হয়।


বৈজ্ঞানিক নামঃ Cinnamomum tamala
ইংরেজী নামঃMalabathrum, Malobathrum, Malabar leaf, Bay Leaf, Indian Cassia Ligea
তেজপাতা মাঝারি ধরণের একটি চিরশ্যামল (Evergreen)বৃক্ষ। এটি ১৫/১৬ মিটার পর্যন্ত উচু হয়। বাংলাদেশের পাহাড়ী এলাকায় তেজপাতা ভাল জন্মে। বিশেষ করে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর ও হরিপুর এলাকায় তেজপাতা গাছ প্রাকৃতিকভাবেই জন্মে বা বংশ বিস্তার করে। বাংলাদেশের সব জেলাতেই বর্তমানে তেজপাতা গাছের চাষ হয়ে থাকে। এটি জলাবদ্ধতা মোটেই সহ্য করতে পারেনা। এ কারণে উচু জমিতে যেখানে জলাবদ্ধা হয়না এমন জায়গায় তেজপাতা গাছ লাগানো উচিত। চারা রোপণের ৩/৪ বছরের মধ্যেই গাছ থেকে পরিপক্ক পাতা সংগ্রহ করা যায়। তেজপাতা গাছ বসতবাড়ির শোভাও বৃদ্ধি করে। তেজপাতার প্রধান রাসায়নিক উপাদান হচ্ছে ফেলড্রিন (Phellandrin), ইউজিনল (Eugenol)ও সিননামিক এলডিহাইড(Cinnamic aldihyde)। তেজপাতা একটি সুগন্ধ বিশিষ্ট মসলা হিসেবেই আমাদের কাছে পরিচিত। কিন্তু তেজপাতার অনেক ঔষধি গুন রয়েছে। যেমন :-

০১। তেজপাতা গাছের ছাল ও পাতা বেটে রস খেলে অজীর্ণ এবঙ পেটের পীড়া ভাল হয়ে যায়।
০২। তেজপাতার রস কোলষ্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এর রস হৃদযন্ত্রের পেশীগুলোর কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
০৩। ঠান্ডাজনিত বা উচ্চভাষণজনিত স্বরভংঙ্গ তেজপাতা থেতো করে ৩/৪ কাপ পানিতে সেদ্ধ করে বার বার একটু একটু করে খেলে স্বরভংগ চলে যাবে।
০৪। তেজপাতা চন্দনের মত করে বেটে গায়ে মাখালে গায়ে দুর্গন্ধ হওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
০৫। বেশী ঘাম হলে তেজপাতা বাটা গায়ে মেখে ১ ঘন্টা পর গোসল করে ফেললে অত্যধিক ঘাম হওয়া কমে যাব।
০৬। গায়ে ফোড়া উঠলে তেজপাতা বাটার প্রলেপ দিলে ফোড়ার যন্ত্রণা চলে যাবে।
০৭। তেজপাতা চুর্ণ দিয়ে দাত মাজলে মাড়ির ক্ষত সেরে যাবে।
০৮। তেজপাতা সেদ্ধ পানিতে কুলি করলে অরুচি চলে যাবে।
তেজপাতা তেজপাতা Reviewed by রেজওয়ান on 1:56 PM Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.