কনকসুধা একটি লতানো ফুল আছে। সিসালপিনিয়া গণে আমাদের দেশে ঘনিষ্ঠ প্রজাতি রাধাচূড়া ও কনকচূড়া। কোনো কোনোটি এসেছে দক্ষিণ আমেরিকার উষ্ণ অঞ্চল থেকে। পাতার গড়ন প্রায় একই রকম হলেও গাছ একেবারেই আলাদা।
গাছটির বৈজ্ঞানিক নাম Caesalpinia enneaphyllum। বলধা গার্ডেনে অবশ্য কনকসুধা নামে একটি লতানো ফুল আছে। সিসালপিনিয়া গণে আমাদের দেশে ঘনিষ্ঠ প্রজাতি রাধাচূড়া ও কনকচূড়া। কোনো কোনোটি এসেছে দক্ষিণ আমেরিকার উষ্ণ অঞ্চল থেকে। পাতার গড়ন প্রায় একই রকম হলেও গাছ একেবারেই আলাদা।
কাষ্ঠল লতার গাছ। যৌগপত্র দুই পক্ষল, ২০ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার লম্বা, প্রতিটি পক্ষে ৮ থেকে ১২ জোড়া আয়তাকার পত্রিকা, দেড় থেকে দুই সেন্টিমিটার লম্বা, ঘনবদ্ধ ও বিপ্রতীপভাবে বিন্যস্ত। ফুল হলুদ-সোনালি রঙের, ছোট টিউবের মতো, নিচের দিকে ঘণ্টার মতো ঝুলে থাকে। মোড়ানো পাপড়ির একটি অংশ ওপরের দিকে ওল্টানো, মাঝখানে পুংকেশরের ডগা কিছুটা কালচে রঙের। মঞ্জরি দণ্ড শাখাবহুল। ফুল নিচ থেকে ওপরের দিকে পর্যায়ক্রমে ফোটে। প্রধান প্রস্ফুটন মৌসুম কার্তিক-অগ্রহায়ণ মাস। সিসালপিনিয়া মূলত উষ্ণ ও উপ-উষ্ণ অঞ্চলের গুল্ম কিংবা বৃক্ষ। বৃক্ষ, গুল্ম ও লতাসহ সারা বিশ্বে এদের দুই সহস্রাধিক রকমফের দেখা যায়।
মোকারম হোসেন |প্রথম আলো


No comments:
Post a Comment